বৃহস্পতিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১, ৮ আশ্বিন ১৪২৮

মাদ্রাসা অধিদপ্তরের পদগুলোতে উচ্চ আদালতের 'স্থিতাবস্থা'র আদেশ, প্রাথমিক বিজয় শিক্ষা ক্যাডারের

  • শিক্ষা পত্রিকা প্রতিবেদক
  • ২০২১-০৯-০৪ ১৪:০২:২৬
image

'উড়ে এসে জুড়ে বসা

শিক্ষা ক্যাডারের মরণদশা'

ঠিক এভাবেই শিক্ষা ক্যাডারের একজন সিনিয়র কর্মকর্তা নিজেদের ক্যাডারের বর্তমান অবস্থার কথা বর্ণনা করলেন। শিক্ষার হাল হকিকত না জেনেও শিক্ষা ক্যাডারের পদগুলোতে দখল চালাচ্ছে একটি বিশেষ ক্যাডারের লোকজন। শিক্ষা সেক্টরকে ধ্বংস করার বিএনপি জামায়াতের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করার লক্ষ্য নিয়েই কাজ করে যাচ্ছে স্বাধীনতা বিরোধী চক্র। বঙ্গবন্ধু হত্যার পর থেকে দীর্ঘ একুশ বছর আওয়ামী লীগ ক্ষমতার বাইরে ছিল। এই সময়ে শিক্ষা ক্যাডারে নানান আত্তীকরণ বিধির বলে সরকারি কলেজ শিক্ষক-কর্মচারী আত্তীকরণ চলতে থাকে। 'বেসরকারি কলেজ' থেকে সরাসরি 'বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের' চেয়ারম্যান হয়েছেন এমন নজিরও আছে । এছাড়াও প্রদর্শক থেকেও ক্যাডারে আত্তীকরণ চলতে থাকে। প্রকল্প শেষ হলে এর জনবলকেও শিক্ষা ক্যাডারে আত্তীকরণ করা হতে থাকে। যেনো হরিলুটের ক্যাডার!

আত্তীকরণ আর পার্শ্বপ্রবেশে শিক্ষা ক্যাডার হাস্যকর ক্যাডারে পরিণত হতে চলেছিল। এই ক্যাডারে স্নাতকোত্তর মেধাবীরা (অন্যান্য ক্যাডারে স্নাতক পাস হলেই চলে) অন্যান্য ২৬টি ক্যাডারের সাথে একই সিলেবাসে পিএসসির পরীক্ষায় অবতীর্ণ হয়। কয়েকটি ধাপে যোগ্যতার কষ্টিপাথরে যাচাইকৃত হয়েই এ ক্যাডারে আসতে হয়। কিন্তু এ ক্যাডারে এসে এভাবে আত্তীকরণ দেখে অনেকেই হতাশায় নিমজ্জিত হয়। কিন্তু এখন আর এটি সম্ভব নয়। আত্তীকরণ বিধি ২০১৮ শিক্ষা ক্যাডারের রক্ষাকবচ হিসেবে কাজ করবে। এখন আর ঘুম থেকে ওঠেই বিসিএস ক্যাডার হয়ে যাওয়ার স্বপ্ন দেখতে পারবেনা কেউ। বিসিএস পরীক্ষা দিয়েই এ ক্যাডারে আসতে হবে।

আরও পড়ুন টিএমইডি সচিবের বক্তব্য জাতির পিতার উন্নয়ন দর্শনের পরিপন্থী : শাহেদুল খবির চৌধুরী

প্রায় ১৬০০০ সদস্যের সম্মিলন বিসিএস সাধারণ শিক্ষা ক্যাডারে। আর্থিক বঞ্চনাও এ ক্যাডারে কম নয়। এই মেধাবী কর্মকর্তাদের কেউই স্বপ্ন দেখতে পারবেনা যে সে একদিন বেতন স্কেলের সর্বোচ্চ ধাপে যাবে। কারণ বেতন স্কেলের সর্বোচ্চ চতুর্থ ধাপেই তার চাকুরির পরিসমাপ্তি। এই ক্যাডারের কেউই স্বপ্ন দেখতে পারবেনা যে সে সচিব হবে। সচিব হতে হলে এক নম্বর ধাপে যেতে হবে। শিক্ষা ক্যাডারে তৃতীয় গ্রেড, দ্বিতীয় গ্রেডের পদ সৃজন নিয়ে অনেক কালক্ষেপণ হচ্ছে। এই দুই গ্রেডের ধাপ যুক্ত হলে তবেই না প্রথম গ্রেডে যাওয়ার সিঁড়ি তৈরি হবে। আমলাতান্ত্রিক জটিলতায় দিনের পর দিন পদসৃজনের ফাইল সুপ্ত অবস্থায় পড়ে থাকে। এই বঞ্চনার পাশাপাশি শিক্ষা ক্যাডারের সিডিউলড পদগুলোও দখল হয়ে যাচ্ছে। প্রাথমিক শিক্ষা নিয়ে আলাদা মন্ত্রণালয় গঠিত হয়। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পদগুলো শিক্ষা ক্যাডারের সিডিউলভুক্ত পদ। এগুলো দখল করে রেখেছে প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তারা। শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে দুইভাগে ভাগ করা হয়েছে। মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ এবং কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ। কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর ও দখল হয়ে গিয়েছে। মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর দখলের সমস্ত আয়োজন সম্পন্ন হতে থাকে ধীরে ধীরে। শিক্ষা ক্যাডারের কর্মকর্তাদের একদম বাইরে রেখে একটি বিধিও প্রণয়ন করা হয়।

এভাবেই যখন শিক্ষা ক্যাডারের নির্দিষ্টকৃত পদগুলোতে চুপিসারে কিংবা প্রকাশ্যে অবৈধ দখল, অনুপ্রবেশের ঘটনা ঘটে চলছে তখন একজন ক্যাডারপ্রেমী এই অন্যায়ের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ালেন। বিসিএস সাধারণ শিক্ষা সমিতির পতাকাতলে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে ক্যাডারের বিরুদ্ধে এই ষড়যন্ত্র রুখে দাঁড়ানোর জন্য প্রকাশ্যে বিবৃতি দিলেন। বিএনপি জামায়াতের এজেন্ডা বাস্তবায়নকারী তৎকালীন শিক্ষাসচিব শহীদুল আলমের অনুসারীদের বিরুদ্ধে হুঁশিয়ারি দিলেন। শিক্ষা ক্যাডার বিরোধী কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকার জন্য কঠোরভাবে নিষেধ করলেন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আন্ত:ক্যাডার বৈষম্য দূরীকরণের অনুশাসন বাস্তবায়নে তাগাদা দিলেন। এখন প্রয়োজন ১৬০০০ ক্যাডার সদস্যের একতাবদ্ধ থেকে কাজ করে যাওয়া। তবেই শিক্ষা ক্যাডারের নির্দিষ্টকৃত (সিডিউলড) পদগুলো উদ্ধার সম্ভব হবে। শিক্ষা ক্যাডারের ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্য একটি নিরাপদ ও মানসম্মত শিক্ষা ক্যাডার রেখে যাওয়ার জন্যই বিসিএস সাধারণ শিক্ষা সমিতির বর্তমান নেতৃত্বের প্রচেষ্টা। শিক্ষা ক্যাডারের উক্ত সিনিয়র কর্মকর্তা এভাবেই ক্যাডারের জন্য আশার বাণী শোনালেন।

আরও পড়ুন মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা সচিবের বক্তব্যের জোরালো প্রতিবাদ শিক্ষা ক্যাডার ও সমিতির নেতৃবৃন্দের

সম্প্রতি শিক্ষা ক্যাডারের বিরুদ্ধে একটি অনলাইন নিউজ পোর্টালে একটি বিতর্কিত মন্তব্য করে প্রবল সমালোচনার মুখে পরেন কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব। শিক্ষা ক্যাডারের ষোল হাজার সদস্যই এই মন্তব্যের প্রবল সমালোচনায় ফেটে পড়ে। পরে সেই সচিব উক্ত নিউজপোর্টালে নিজের মন্তব্যের পক্ষে সাফাই গাইতে গিয়ে বলেন এটা ভুল বোঝাবুঝির ফলে হয়েছে। টিএমইডি সচিবের বক্তব্য নিয়ে ফেসবুকসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যখন প্রবল প্রতিবাদ চলছে এরই মধ্যে একটি স্বস্তির খবর এসেছে শিক্ষা ক্যাডারের একটি প্রাথমিক সফলতা নিয়ে। মাদ্রাসা অধিদপ্তরের পদগুলো যখন সেই বিশেষ ক্যাডারের দখলে চলে যাচ্ছিল তখন উচ্চ আদালতের একটি আদেশ শিক্ষা ক্যাডার কর্মকর্তাদের মধ্যে দারুণ স্বস্তি ফিরিয়ে এনেছে। মাদ্রাসা অধিদপ্তরের নিয়োগবিধির বিরুদ্ধে বিসিএস সাধারণ শিক্ষা সমিতির নেতৃত্বে একযোগে রুখে দাঁড়ানো, আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণ এবং উচ্চ আদালতের স্থিতাবস্থা বজায় রাখার নির্দেশনা এসবই শিক্ষা ক্যাডারের মর্যাদা সমুন্নত রাখার বিষয়। ভবিষ্যত তরুণ শিক্ষা ক্যাডার কর্মকর্তাদের জন্য একটি মর্যাদাকর এবং নিরাপদ শিক্ষা ক্যাডার রেখে যাওয়ার জন্য সমিতির কর্মকর্তারা নিরলস পরিশ্রম করে চলেছেন। মাদ্রাসা নিয়ে আদালতের স্থিতাবস্থা বজায় রাখার নির্দেশনা সেরকমই একটি সাফল্য। এর আগে আত্তীকরণ বিধি ২০১৮ নামে আরেকটি সফলতা এসেছিল বিসিএস সাধারণ শিক্ষা সমিতির বর্তমান নেতৃত্বের হাত ধরেই। যেকোনো ধরনের পার্শ্ব প্রবেশ এবং ক্যাডারে অবৈধ অনুপ্রবেশের বিরুদ্ধে রক্ষাকবচ হচ্ছে সরকারিকৃত কলেজ শিক্ষক ও কর্মচারী আত্তীকরণ বিধিমালা ২০১৮।

বিসিএস সাধারণ শিক্ষা সমিতির একজন শীর্ষস্থানীয় নেতৃত্ব, শিক্ষা ক্যাডারের একজন সিনিয়র কর্মকর্তা মাদ্রাসা অধিদপ্তরে 'উচ্চ আদালতের স্থিতাবস্থা বজায় রাখার নির্দেশনা' নিয়ে শিক্ষা ক্যাডার গ্রুপগুলোতে একটি নাতিদীর্ঘ স্ট্যাটাস দিয়েছেন। বিশ্বস্ত সূত্র মাধ্যমে এটি সংগ্রহ করা হয়েছে। শিক্ষাপত্রিকার পাঠকদের জন্য এর কিছু অংশ তুলে ধরা হলো-

উক্ত কর্মকর্তা স্টাটাসে লিখেন "মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর হতে শিক্ষা ক্যাডার কর্মকর্তাদের সরিয়ে দেওয়ার যে কোনো পদক্ষেপের বিরুদ্ধে আমাদের প্রার্থিত স্ট্যাটাসকো ( স্থিতাবস্থা) সংক্রান্ত আবেদন মঞ্জুর করেছেন উচ্চ আদালত।"
শিক্ষাপত্রিকার এক অনুসন্ধানে জানা যায়, উচ্চ আদালতের এই আদেশ আনয়ন খুব সহজ ছিল না। বিসিএস সাধারণ শিক্ষা সমিতির বর্তমান নেতৃত্ব গতবছরই এই উদ্যোগ নিয়েছিল। মাদ্রাসা অধিদপ্তরের সকল কর্মকর্তা এবং ১৪ থেকে ৩৭ - সকল ব্যাচের প্রতিনিধিদের যুক্ত করা হয় এই প্রক্রিয়ার সাথে। তারপর যৌথভাবে বাদী হয়ে, মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের জন্য গেজেটকৃত নতুন নিয়োগ বিধিমালাকে চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে একটি রিট মামলা দায়ের করা হয়েছিল গত ডিসেম্বর মাসে।

চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে এ মামলার শুনানি হয়। বিজ্ঞ আদালত শিক্ষা ক্যাডারের এ আর্জি আমলে নিয়ে - এ নিয়োগ বিধিতে মাদ্রাসা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক-পরিচালকসহ প্রেষণের পদগুলোতে, বিসিএস সাধারণ শিক্ষা ক্যাডার কর্মকর্তাদের বঞ্চিত করা ৬ টি অনুচ্ছেদ কেন সংবিধান-পরিপন্থী ও বেআইনি বলে ঘোষণা করা হবেনাবং ঐ অনুচ্ছেদগুলোতে কেন অন্য সকল ক্যাডারকে বিরত রেখে বিসিএস সাধারণ শিক্ষা ক্যাডার কর্মকর্তাদের পদায়নের সুযোগ রাখা হবে না, তার ব্যাখ্যা চেয়ে সরকার পক্ষের উপর ৪ (চার) সপ্তাহের একটি রুল জারি করেন।
জানা যায়, সরকার পক্ষ থেকে এই রুলেরও কোনো জবাব দেয়া হয়নি।

কিন্তু এর মধ্যেই তড়িঘড়ি করে ১৪টি পদে শিক্ষা ক্যাডার কর্মকর্তাদের সরিয়ে দেওয়ার পাঁয়তারা চলতে থাকে। মাদ্রাসা অধিদপ্তরে কর্মরত শিক্ষা ক্যাডার কর্মকর্তাদের দায়িত্ব বুঝিয়ে দেওয়ার নির্দেশনা এসেছিল। পাশাপাশি এ সব পদে বসানোর জন্য বিতর্কিত নতুন নিয়োগ বিধিমালা প্রণয়নও করা হয়েছিল। সেই বিতর্কিত বিধিমালা মোতাবেক বিসিএস পরীক্ষায় অনুত্তীর্ণদের নন-ক্যাডার কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগের সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। সম্ভবত চলতি সেপ্টেম্বরের ১০/১২ তারিখে নন ক্যাডার কর্মকর্তাদের যোগদানের দিন ধার্য করা হয়েছে।

এ অপচেষ্টার বিরুদ্ধে সমিতির নেতৃবৃন্দ সজাগ ছিলেন পূর্ব থেকেই। কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সচিবের সাথে দেখা করে শিক্ষা ক্যাডারের আপত্তির কথাও জানিয়ে এসেছিলেন বিধি প্রণয়নের পূর্বে। কিন্তু শিক্ষা ক্যাডারকে সম্পূর্ণ অন্ধকারে রেখেই মাদ্রাসা অধিদপ্তরের বিতর্কিত এই বিধিমালা প্রণীত হয়। এই বিতর্কিত বিধি বাতিল এবং মাদ্রাসা অধিদপ্তরে শিক্ষা ক্যাডারের পদগুলো উদ্ধারের জন্য উচ্চ আদালতের শরণাপন্ন হওয়া ছাড়া গত্যন্তর ছিল না। এমতাবস্থায়, ৩/৪ মাসের অব্যাহত চেষ্টার পর , গত সপ্তাহে এ বিষয়ে আবেদন শুনানির তারিখ পাওয়া যায়। এরই ধারাবাহিকতায় মাদ্রাসা অধিদপ্তর থেকে শিক্ষা ক্যাডার কর্মকর্তাদের পদায়ন যাতে প্রত্যাহৃত না হয়, এ লক্ষ্যে স্ট্যাটাসকো ( স্থিতাবস্থা) প্রার্থনা করা হয়। বিজ্ঞ আদালত সবকিছু বিচার বিবেচনা করে শিক্ষা ক্যাডারের এ আবেদন মঞ্জুর করেন। এর ফলে মাদ্রাসা অধিদপ্তরে কর্মরত শিক্ষা ক্যাডার কর্মকর্তাদের পদায়ন বহাল রইলো। এ অন্যায্য নিয়োগবিধি বাতিল করার জন্য পরবর্তী লড়াইয়ের জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে।
সমিতির উক্ত কর্মকর্তা স্ট্যাটাসে উল্লেখ করেন 'নিঃসন্দেহে এ অগ্রগতি, পদদখল ও ডি-ক্যাডারাইজেশনের অব্যাহত প্রচেষ্টার বিরুদ্ধে, শিক্ষা ক্যাডারের প্রাথমিক বিজয়।'

তিনি আরও উল্লেখ করেন, 'আদেশের সার্টিফাইড কপি আজ (০১ সেপ্টেম্বর) আমরা হাতে পেয়েছি। আমরা আশা করছি, এ মামলার মাধ্যমে শিক্ষা ক্যাডারকে বঞ্চিত করার অব্যাহত উদ্যোগ বাধাগ্রস্ত হবে এবং মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের জন্য প্রণীত প্রেষণের পদগুলো আমরা উদ্ধার করতে পারবো। তিনি আরও বলেন, ইতোমধ্যে, অনেক আগে দায়ের করা প্রাথমিক শিক্ষা ও নায়েমের নিয়োগবিধিমালা সংক্রান্ত আরো দুটো মামলায় নতুন করে আইনজীবী নিয়োগ দেওয়া হয়েছে এবং নতুন করে পক্ষভুক্তির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আশা করছি দ্রুত সেটাও সম্পন্ন হবে।'

মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর সংক্রান্ত এ মামলার বিষয়ে উদ্যোগ গ্রহণ করার পাশাপাশি সার্বিক নির্দেশনা প্রদানের জন্য মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক ( কলেজ ও প্রশাসন) ও বিসিএস সাধারণ শিক্ষা সমিতির সদস্যসচিব প্রফেসর মোঃ শাহেদুল খবির চৌধুরীর প্রতি অসীম কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন তিনি।
এছাড়াও আইন কমিটির সকল সদস্য, মাদ্রাসা অধিদপ্তরের সকল কর্মকর্তা এবং ১৪ থেকে ৩৮ ব্যাচের পক্ষ থেকে এ মামলায় যুক্ত হওয়া কর্মকর্তাদের ধন্যবাদ জানানো হয় তাদের আন্তরিক সহযোগিতার জন্য।
উক্ত কর্মকর্তা আরও বলেন, "আমরা বিশ্বাস করি এভাবেই আমরা, মর্যাদা ও অধিকারের প্রশ্নে ক্যাডারের সবাইকে নিয়ে লড়াই করে যাবো এবং আমাদের হারানো সকল পদ উদ্ধারে সফল হবো।"
শিক্ষা ক্যাডারের এই বঞ্চনা-বৈষম্যের অবসানে একতাবদ্ধ থাকাটা খুবই জরুরি। তাই স্ট্যাটাসের শেষে সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে পাশে থাকার আহ্বান জানান।


এ জাতীয় আরো খবর