বৃহস্পতিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১, ৮ আশ্বিন ১৪২৮

মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা সচিবের বক্তব্যের জোরালো প্রতিবাদ শিক্ষা ক্যাডার ও সমিতির নেতৃবৃন্দের

  • স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট
  • ২০২১-০৮-২৬ ২১:৫৭:২৮
image

গতকাল  বাংলা ট্রিবিউন নামে একটি অনলাইন নিউজপোর্টালে 'কেন পেশা বদলাচ্ছেন শিক্ষকরা' শিরোনামে একটি নিউজ ছাপা হয়। নিউজটির শুরু হয় শিক্ষা ক্যাডারের কতিপয় কর্মকর্তার অন্য ক্যাডারে যোগদানের বেশ কিছু উদাহরণ দিয়ে। বিসিএস শিক্ষা ক্যাডার কর্মকর্তারা ক্যাডার পরিবর্তন করতেই পারেন। বয়সসীমা থাকলে যেকোনো ক্যাডার কর্মকর্তাই তার কাঙ্ক্ষিত ক্যাডারে যাওয়ার জন্য বারবার চেষ্টা করবেন। এটাকে উদাহরণ হিসেবে নিয়ে উল্লিখিত শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদটি শিক্ষা ক্যাডারকে হেয় করার জন্যই উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে করা হয়েছে বলে শিক্ষা ক্যাডার কর্মকর্তাবৃন্দ মনে করেন। সংবাদটির সর্বশেষে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদ্রাসা বিভাগের সচিব মো. আমিনুল ইসলাম খানের উদ্ধৃতি দিয়ে যা কোট করা হয়েছে তা ক্যাডার সার্ভিসের জন্য খুবই অবমাননাকর বলে মনে করছেন শিক্ষা ক্যাডার কর্মকর্তাবৃন্দ।   

বাংলা ট্রিবিউনের উক্ত সংবাদে কারিগরি ও মাদ্রাসা বিভাগের সচিবকে উদ্ধৃত করে যে বক্তব্যটি তুলে ধরা হয়েছে তার ভাষা ছিল এরকম- ‘শিক্ষকদের ক্যাডার করে তাদের উচ্চাভিলাসী করা হয়েছে। সবাই অফিসার হতে আসেন। প্রশাসনিক পদে যেতে চান। শিক্ষকতা করতে চান না। অথচ পাশের দেশ ভারতেও শিক্ষকদের ক্যাডার করা হয়নি। আসলে এরা শিক্ষক হতেই আসেন না। শিক্ষক হচ্ছেন সমাজ পরিবর্তনের হাতিয়ার। কিন্তু যারা পেশা বদলাচ্ছেন তারা সমাজ বদলানোর প্রতিশ্রুতি নিয়ে আসেন না।’

শিক্ষাপত্রিকার সাথে সাম্প্রতিক এই ইস্যুটিকে নিয়ে আলাপকালে একজন শিক্ষা ক্যাডার কর্মকর্তা বলেন, উপরোক্ত বক্তব্যটি যদি সঠিক হয়ে থাকে তাহলে বলা যায় সচিব মহোদয় ক্যাডারের সংজ্ঞা জানেন না। অথবা তিনি ক্যাডার রিক্রুটমেন্ট অ্যান্ড কম্পোজিশন রুলস সম্পর্কে অজ্ঞ। শিক্ষা ক্যাডার কেন করা হয়েছে, কী তার উদ্দেশ্য ছিল তা যদি জানতেন তাহলে শিক্ষা ক্যাডারকে নিয়ে হীন এ মন্তব্য করতে পারতেন না। মাঠ পর্যায়ে শিক্ষার সাথে যুক্ত না থেকে, পাঠদান কার্যক্রমে যুক্ত না থেকে, শিক্ষার বাস্তবচিত্র উপলব্ধি না করে এরকম মন্তব্য বিসিএস সাধারণ শিক্ষা ক্যাডার কর্মকর্তাদের খুবই আহত করেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আরেকজন সিনিয়র শিক্ষা ক্যাডার কর্মকর্তা বলেন, সবাই অফিসার হতে আসেন বলে তিনি কি বুঝাতে চেয়েছেন? শিক্ষা ক্যাডার কর্মকর্তা বা অফিসার হিসেবেই তো সবাই নিয়োগ পান। শিক্ষা প্রশাসন এবং পাঠদান কার্যক্রমে যুক্ত থাকার জন্যই তো এই ক্যাডারের সৃষ্টি। তাহলে শিক্ষকদের 'ক্যাডার করে' কথাটির মানে কী? পাশের দেশ ভারতের উদাহরণ টেনে এনেছেন যে তাদের ক্যাডার করা হয়নি। আমাদের দেশের সবাইকে তো আর শিক্ষা ক্যাডার করা হচ্ছে না। যারা যোগ্যতাবলে এই ক্যাডারে আসছেন তারা মূলত শিক্ষা প্রশাসনে কাজ করার জন্যই নির্বাচিত হন। কিন্তু ষড়যন্ত্র করে তাদের পদগুলো দখল করে আবার ক্যাডারকে কটাক্ষ করবেন তা কোনো মতেই মেনে নেওয়া যায় না বলে উক্ত শিক্ষা ক্যাডার কর্মকর্তার অভিমত।  

বিসিএস সাধারণ শিক্ষা সমিতির একজন নেতৃস্থানীয় কর্মকর্তা বলেন, বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ ক্যাডার হিসেবে শিক্ষা ক্যাডারকে কখনোই বিকশিত হতে দেয়া হয়নি। নানা সময়ে নানা ষড়যন্ত্র চলেছে এই ক্যাডারকে নিয়ে। এই ষড়যন্ত্রেরই ধারাবাহিক বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে শিক্ষা সচিবের এই মন্তব্যে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তার মন্তব্যে শিক্ষা ক্যাডার কর্মকর্তাগণ ফুঁসে উঠেছেন। শিক্ষা ক্যাডার কর্মকর্তাদের 'উচ্চাভিলাষী' বলে কটাক্ষ করা কোনোভাবেই মেনে নিতে পারছেন না তরুণ ক্যাডার কর্মকর্তারা। অন্যান্য ক্যাডারের চেয়ে  যোগ্যতায় একধাপ এগিয়ে থেকেও শিক্ষা ক্যাডার পিছিয়ে আছে। একমাত্র শিক্ষা ক্যাডারে আসতে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে মাস্টার্স পাস থাকতে হয়। অন্যান্য ক্যাডারে স্নাতক পাস হলেই চলে। এত যোগ্যতাসম্পন্ন একটি ক্যাডারকে যুগের পর যুগ পিছিয়ে রাখা হয়েছে ষড়যন্ত্র করে।

তিনি আরও বলেন, শিক্ষকদের ক্যাডার করে তাদের উচ্চাভিলাষী করা হয়েছে- এ বক্তব্যটি থেকে শিক্ষা ক্যাডারের প্রতি সচিবের দৃষ্টিভঙ্গী কেমন তা সহজেই অনুমেয়। একটি দেশের সব সেক্টর যদি শুধু একটি ক্যাডারের নিয়ন্ত্রণেই থাকে তাহলে সে দেশটি অচিরেই ধ্বংস হতে বাধ্য। এই দৃষ্টিভঙ্গী নিয়ে যদি তিনি শিক্ষার সর্বোচ্চ পর্যায়ে থাকেন তাহলে ভবিষ্যতে কি ঘটবে তা সহজেই অনুমেয়। এজন্য সচিবের এ বক্তব্য নিয়ে শিক্ষা ক্যাডার কর্মকর্তাদের মধ্যে ক্ষোভের বহি:প্রকাশ ঘটছে। বিসিএস সাধারণ শিক্ষা সমিতির নেতৃবৃন্দ এই বক্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানিয়েছেন। শিক্ষা প্রশাসনের উচ্চ পদে আসীন থেকে এ জাতীয় মন্তব্য জাতির জন্য দুর্ভাগ্যজনক বলেও মনে করেন সমিতির নেতৃবৃন্দ। 

বিসিএস সাধারণ শিক্ষা ক্যাডারের  একজন কর্মকর্তা নিজের টাইমলাইনে এভাবে ক্ষোভ উগড়ে দিয়েছেন, "নিঃসন্দেহে আমি উচ্চাভিলাষী। আমি আলাদা কোন পিএসসি’র অধীনে পরীক্ষা দিয়ে আসিনি।শুধু কৃত্য পেশাভিত্তিক মন্ত্রণালয় হলেই আর কেউ আমার উচ্চাভিলাষ নিয়ে উপহাস করার সুযোগ পেত না।"

শিক্ষা ক্যাডারের আরেকজন কর্মকর্তা 'শিক্ষকদের উচ্চাভিলাষ' শিরোনামে নিজের ফেসবুক টাইমলাইনে উক্ত সচিবকে উদ্দেশ্য করে লিখেছেন- "বর্তমানে সরকারি কলেজে বিসিএস ক্যাডার শিক্ষকগণের নিয়োগ পত্রে পদের নাম' শিক্ষক-কর্মকর্তা' হিসেবে উক্ত রয়েছে এবং আপনি নিশ্চয়ই এটাও জানেন বিসিএস শিক্ষা ক্যাডারের অর্গ্যানোগ্রামে শিক্ষা সংক্রান্ত অফিসিয়াল পদগুলো সিডিউলভুক্ত রয়েছে যেটা বিসিএস শিক্ষা ক্যাডারে নিয়োগ প্রাপ্ত শিক্ষক-কর্মকর্তাগণের জন্য নির্ধারিত। পরিতাপের বিষয় হল সেখানে আজ জবর দখল চলছে।এ ছাড়াও লজিস্টিক সাপোর্টের অপ্রতুলতাতো রয়েছেই। একজন সরকারি কলেজের অধ্যক্ষকে কলেজ প্রশাসন পরিচালনার পাশাপাশি বিভিন্ন বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নিয়োগ তদন্ত পরিদর্শনসহ বিভিন্ন সরকারি দফতরে অনুষ্ঠিত সভায় অংশগ্রহণ করতে হয়। সরকারি ট্রেজারি থেকে প্রশ্নপত্রের মত গুরুত্বপূর্ণ জিনিস প্রতিনিয়ত প্রতিষ্ঠানে আনয়ন করতে হয় যার সাথে নিরাপত্তার বিষয়টি মারাত্মকভাবে জড়িত। অথচ সেই অধ্যক্ষের একটা সরকারি গাড়ি নেই। মর্যাদার বিষয়টিতো রয়েছেই, শিক্ষা ক্যাডারের সর্বোচ্চ পদ চতুর্থ গ্রেডের, কি বিচিত্র সেলুকাস! এমনি হাজারো বঞ্চনা রয়েছে শিক্ষা ক্যাডার কর্মকর্তাদের। শিক্ষা অবশ্যই একটা সৃজনশীল কর্ম। শিক্ষা ক্যাডার কর্মকর্তাদের এই পাহাড় সমান বঞ্চনার মধ্যে রেখে সৃজনশীলতা আশা করা কতটা যৌক্তিক সেটাই আলোচনার বিষয়।"

বঙ্গবন্ধু শিক্ষাকে আলাদা মর্যাদা দিয়েছিলেন। শিক্ষার লোক দিয়েই শিক্ষা প্রশাসন শুরু করেছিলেন।স্বাধীনতার পর বঙ্গবন্ধু খুব দ্রুত কয়েকটি পদক্ষেপ নেন। বৈষম্যহীন ও বিজ্ঞাননির্ভর সর্বজনীন শিক্ষাব্যবস্থা চালু করার জন্য তিনি প্রখ্যাত বিজ্ঞানী ড. কুদরত-ই-খুদার নেতৃত্বে জাতীয় শিক্ষা কমিশন গঠন করেন। ১৯৭৩ সালে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বায়ত্তশাসন নিশ্চিত করে অধ্যাদেশ জারি হয়। দেশের সকল অর্থাৎ প্রায় ৩৭  হাজার প্রাথমিক বিদ্যালয়কে রাষ্ট্রায়ত্ত্ব করা হয়। একই সাথে রাষ্ট্রযন্ত্রকে বিভিন্ন পেশায় বিন্যস্ত করে সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার অধীনে নিয়ে আসার জন্য সুপারিশ প্রণয়নে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর মোজাফফর আহমেদ চৌধুরীর নেতৃত্বে 'পে অ্যান্ড সার্ভিসেস কমিশন' গঠন করা হয়।

এরই সমান্তরালে আমরা দেখতে পাই অধ্যাপক কবীর চৌধুরী কে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব নিযুক্ত করতে। বঙ্গবন্ধুর হত্যাকাণ্ডের পর শিক্ষা প্রশাসন আমলাতন্ত্রের হাতে চলে গেল। বিএনপি-জামায়াত শাসনামল, এরশাদ শাসনামল- কোনো আমলেই শিক্ষা ক্যাডারকে বিকশিত হতে দেয়া হয়নি। বরং বেসরকারি শিক্ষক আত্তীকরণ, প্রদর্শক থেকে আত্তীকরণ, টেন পার্সেন্ট নামে আত্তীকরণ, প্রকল্প থেকে আত্তীকরণ করে শিক্ষা ক্যাডারকে মানহীন করার ষড়যন্ত্র চলছিল। এবং সেই চক্রান্তকারীরা দীর্ঘদিন সফলতার সাথে তা ধরেও রেখেছিল।  বর্তমান সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কঠোর অনুশাসনের ফলে আত্তীকরণ বিধি-২০১৮ প্রণীত হওয়ায় অনেকের রাতারাতি ক্যাডার বনে যাওয়ার স্বপ্ন চিরতরে বন্ধ হয়েছে। এর আগে আত্তীকরণ বিধি- ১৯৮১ এবং আত্তীকরণ বিধি ২০০০ শিক্ষা ক্যাডারের জন্য চরম অবমাননাকর ছিল। শিক্ষা ক্যাডারকে ধ্বংসের প্রথম পদক্ষেপ ছিল এই বিধিগুলো। এই বিধিগুলোর আওতায় শিক্ষা ক্যাডার একটি ডাম্পিং স্টেশনে পরিণত হয়েছিল। মান যাচাইহীন বেসরকারি কলেজের শিক্ষকরা দলে দলে ক্যাডারে প্রবেশ করে শিক্ষা ক্যাডারকে ধ্বংসপ্রায় করে ছেড়েছে। আত্তীকরণ বিধি ২০১৮ শিক্ষা ক্যাডারের একটি রক্ষাকবচ হিসেবে কাজ করছে। আর এতেই অনেকের গা জ্বালা শুরু হয়েছে।

বঙ্গবন্ধু কন্যা আন্তঃক্যাডার বৈষম্য নিরসনের কথা বারবার বলেছেন। কিন্তু অন্যান্য ক্যাডারের সাথে শিক্ষা ক্যাডারের বৈষম্য দিনদিন প্রকট হয়ে ফুটে ওঠছে। প্রায় ১৬ হাজার ক্যাডার কর্মকর্তার নিয়মিত পদোন্নতি নাই। ক্যাডারের উপরের দিকে পদসৃজন করা হচ্ছে না। পদ সৃজনের সাথে শিক্ষা মন্ত্রণালয়, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়, অর্থমন্ত্রণালয় যুক্ত থাকে। পাশাপাশি পদোন্নতির জন্য যে কমিটি নির্ধারিত সেখানেও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব, অতিরিক্ত সচিব, জনপ্রশাসন এবং অর্থ মন্ত্রণালয়ের দু'জন যুগ্মসচিব থাকেন।  শিক্ষা ক্যাডারের প্রস্তাবিত পদ সৃজনের ফাইল. পদোন্নতির ফাইল আমলাতন্ত্রের চক্রে বছরের পর  বছর ঘুরতে থাকে। একজন শিক্ষা ক্যাডার কর্মকর্তা সারাজীবন চাকরি করে সর্বোচ্চ চতুর্থ গ্রেড পর্যন্ত যেতে পারেন। যত যোগ্যতা আর দক্ষতা থাকুক না কেনো একজন শিক্ষা ক্যাডার কর্মকর্তা কখনোই শিক্ষা সচিব হতে পারবেন না। এই বৈষম্য কি সংবিধানের সাথে সাংঘর্ষিক নয়?

বাংলাদেশ ক্যাডার রিক্রুটমেন্ট অ্যান্ড কম্পোজিশন রুলস অনুযায়ী প্রশাসন ক্যাডারের জন্য যে পদবিন্যাস এবং নিয়ম প্রযোজ্য শিক্ষা ক্যাডারের জন্যও একই পদবিন্যাস এবং নিয়ম প্রযোজ্য। কিন্তু শিক্ষা ক্যাডারের প্রশাসনিক পদগুলো দখলে নিয়ে শিক্ষা ক্যাডারকে শুধু সরকারি কলেজের শিক্ষক হিসেবে সীমাবদ্ধ করে রাখার অপপ্রয়াস চলছে। আর এই অজ্ঞতা থেকেই একজন সচিবের মন্তব্যে শিক্ষা ক্যাডার নিয়ে এরকম অজ্ঞতাসূচক বক্তব্য এসেছে বলে ক্যাডার কর্মকর্তাবৃন্দ মনে করেন।  শিক্ষা ক্যাডারের ১৬ হাজার সদস্য ঘৃণাভরে এই মন্তব্যকে প্রত্যাখ্যান করছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর আন্ত:ক্যাডার বৈষম্য দূরীকরণের অনুশাসন বাস্তবায়িত না হলে এই রাহুর গ্রাস থেকে শিক্ষা ক্যাডারের মুক্তি নেই বলে শিক্ষা ক্যাডার নেতৃবৃন্দ মনে করেন। বিসিএস সাধারণ শিক্ষা সমিতির নেতৃবৃন্দ এক বিবৃতিতে বলেন, আমরা মনে করি কারিগরি ও মাদ্রাসা বিভাগের সচিব মহোদয়ের সাম্প্রতিক কিছু বক্তব্য বিসিএস সাধারণ শিক্ষা ক্যাডারের স্বার্থবিরোধী এবং সুপরিকল্পিত। তাই আমরা সচিব মহোদয়ের বক্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ করছি এবং এ বক্তব্য প্রত্যাহারের অনুরোধ করছি।

শিক্ষা ক্যাডার সংক্রান্ত নিউজ নিয়মিত পেতে আমাদের https://www.facebook.com/shikkhapotrika/ ফেসবুক পেজে লাইক করুন।


এ জাতীয় আরো খবর