বৃহস্পতিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১, ৮ আশ্বিন ১৪২৮

শোক ও শ্রদ্ধায় দিনব্যাপী জাতীয় শোক দিবস পালন মাউশির

  • স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট
  • ২০২১-০৮-১৬ ০০:৪৩:২৯
image

জাতীয় শোক দিবস বাংলাদেশে পালিত একটি জাতীয় দিবস। প্রতিবছর ১৫ আগস্ট জাতীয় ও রাষ্ট্রীয়ভাবে এ দিবসটি শোকের সাথে পালন করা হয়। এ দিবসে কালো পতাকা উত্তোলন ও বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা হয়। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট তারিখে বাংলাদেশ ও স্বাধীনতার স্থপতি শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যা করা হয়। এ দিনটিতে জাতি গভীর শোক ও শ্রদ্ধায় স্মরণ করে বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারের সকল সদস্যদের ৷ এই দিনটিকে সামনে রেখে গতকাল মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরে দিনব্যাপী নানান আয়োজনের মাধ্যমে জাতীয় শোক দিবস পালিত হয়।

সকাল ৮ ঘটিকায় অধিদপ্তরের প্রাঙ্গনে অবস্থিত বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ এবং শ্রদ্ধা নিবেদনের মাধ্যমে শোক দিবস পালনের সূচনা হয়। এরপর সকাল ৯ টায় মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের সভাকক্ষে জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন মাউশির মহাপরিচালক প্রফেসর ড. সৈয়দ মো. গোলাম ফারুক। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন মাউশির পরিচালক (কলেজ ও প্রশাসন) প্রফেসর মো: শাহেদুল খবির চৌধুরী। মাউশির পরিচালকবৃন্দ, প্রকল্প পরিচালকবৃন্দ সরাসরি শোকসভায় উপস্থিত ছিলেন। মাউশির সব পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের স্বত:স্ফূর্ত উপস্থিতিতে শোক সভাটি ৪ ঘন্টাব্যাপী স্থায়ী হয়। 

কোভিড পরিস্থিতির কারণে সভা সীমিত রাখার কারণে মাউশির উপপরিচালক, সহকারী পরিচালক এবং অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ অনলাইনে সভায় যুক্ত ছিলেন। দুপুর বাদ যোহর মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের জামে মসজিদে বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারের রূহের আত্মার মাগফিরাত কামনায় দোয়া করা হয়। দোয়া পরিচালনা করেন মাউশি জামে মসজিদের পেশ ইমাম।  দুপুর আড়াইটায় মাউশি অধিদপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ এবং বিসিএস সাধারণ শিক্ষা সমিতির নেতৃবৃন্দ ধানমন্ডি ৩২ এ বঙ্গবন্ধু এবং বঙ্গবন্ধুর পরিবারের সদস্যসহ ১৫ আগস্টে নিহতদের স্মরণে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করেন।   

প্রসঙ্গত,  স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ধানমণ্ডির ৩২ নম্বরের নিজ বাসায় সেনাবাহিনীর কতিপয় বিপথগামী সেনাসদস্যের হাতে সপরিবারে নিহত হন ৷ বঙ্গবন্ধু হত্যায় একাত্তরের পরাজিত শক্তিসহ দেশি-বিদেশি অনেক চক্রান্ত ছিল। সেদিন তিনি ছাড়াও ঘাতকের বুলেটে নিহত হন তার স্ত্রী বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেসা মুজিব ৷ এছাড়াও তাদের পরিবারের সদস্য ও আত্মীয়স্বজনসহ নিহত হন আরো ১৬ জন ৷ ১৫ আগস্ট নিহত হন মুজিব পরিবারের সদস্যবৃন্দ হলেন ছেলে শেখ কামাল, শেখ জামাল ও শিশু পুত্র শেখ রাসেল; পুত্রবধু সুলতানা কামাল ও রোজী কামাল; ভাই শেখ আবু নাসের, ভগ্নিপতি আব্দুর রব সেরনিয়াবাত, ভাগনে শেখ ফজলুল হক মণি ও তার অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী বেগম আরজু মণি ৷ বঙ্গবন্ধুর জীবন বাঁচাতে ছুটে আসেন কর্নেল জামিলউদ্দীন, তিনিও তখন নিহত হন ৷ দেশের বাইরে থাকায় বেঁচে যান জননেত্রী শেখ হাসিনা ও তার ছোটবোন শেখ রেহানা ৷


এ জাতীয় আরো খবর