মঙ্গলবার, ১১ মে ২০২১, ২৮ বৈশাখ ১৪২৮

বিসিএস সাধারণ শিক্ষা সমিতির ধারাবাহিক অনলাইন সংলাপ শুরু আজ থেকে

  • বিসিএস
  • ২০২১-০৪-২১ ০৫:৪১:৪২
image
আজ (২১/০৪/২০২১) সকাল দশটা থেকে বিসিএস সাধারণ শিক্ষা সমিতির আয়োজনে শিক্ষা ক্যাডারের বিভিন্ন ব্যাচের প্রতিনিধিদের নিয়ে একটি ধারাবাহিক সংলাপ-১ অনুষ্ঠিত হবে। বিষয়- 'বিদ্যমান সমস্যা থেকে উত্তরণের উপায় এবং ভবিষ্যৎ ভাবনা।' সংলাপ অনুষ্ঠানে সম্ভাব্য অংশগ্রহণকারী প্রতিনিধিদের যথাসময়ে জুম মিটিং এর আইডি এবং পাসওয়ার্ড সরবরাহ করা হবে। উক্ত সংলাপ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন বিসিএস সাধারণ শিক্ষা সমিতির সদস্য-সচিব প্রফেসর মো. শাহেদুল খবির চৌধুরী। এছাড়াও সমিতির নেতৃবৃন্দ সহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অনলাইন সভায় উপস্থিত থাকবেন। শিক্ষা ক্যাডারের সংকট নিরসনে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার প্রচেষ্টা থেকেই এই মতবিনিময় সভা ধারাবাহিক ভাবে চলবে বলে জানা যায়।

বাংলাদেশের যে কয়টি ক্যাডার সার্ভিস আছে তার মধ্যে দ্বিতীয় বৃহত্তম হচ্ছে শিক্ষা ক্যাডার। প্রায় সাড়ে ১৬ হাজার ক্যাডার কর্মকর্তা কর্মরত আছেন শিক্ষা ক্যাডারে। ‘শিক্ষা প্রশাসন, শিক্ষা ব্যবস্থাপনা এবং শ্রেণী কার্যক্রম’ পরিচালনার জন্য এই ক্যাডারের সৃষ্টি। কিন্তু নানাবিধ ষড়যন্ত্র এই ক্যাডারকে শ্রেণী কার্যক্রমে আবদ্ধ করে অনেকটা বনসাই করে রেখেছে।

শিক্ষা ক্যাডারের অধিকাংশ কর্মকর্তাকে চতুর্থ গ্রেড থেকেই বিদায় নিতে হয়। ভাগ্যবান কেউ কেউ তৃতীয় গ্রেডে যেতে পারলেও শিক্ষা ক্যাডার কর্মকর্তাদের তৃতীয় গ্রেডে যাওয়ার ধাপটি অনুমোদিত নয়। মাঝে মাঝে সুপিরিয়র সিলেকশন বোর্ড তথা এসএসবি’র বদৌলতে ভাগ্যবান কিছু শিক্ষা ক্যাডার কর্মকর্তা তৃতীয় গ্রেড প্রাপ্ত হন। সম্প্রতি ৯৮ টি তৃতীয় গ্রেডের পদ এবং ২টি দ্বিতীয় গ্রেডের পদ চূড়ান্ত অনুমোদনের অপেক্ষায় থাকলেও এটি ডিলে (দেরি) হচ্ছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়, অর্থ মন্ত্রণালয় নানান কোয়ারি (জবাব চাওয়া) দিচ্ছে। এগুলোর লিখিত জবাব প্রদান করা হলেও ফাইলের আর অগ্রগতি হয় না। তৃতীয় গ্রেড, দ্বিতীয় গ্রেড, প্রথম গ্রেডের পদ সৃষ্টির ফাইল আর নড়ে না। এর পেছনে যে ষড়যন্ত্র চলছে তা নিরসন করতে হলে শিক্ষা ক্যাডারের সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে পথ চলতে হবে।

২০ তম বিসিএস থেকে ৩৮ তম বিসিএস পর্যন্ত প্রায় ১২,০০০ তরুণ মেধাবী শিক্ষা ক্যাডার কর্মকর্তা এখন এই ক্যাডারে সার্ভ করছেন। এছাড়াও সপ্তম বিসিএস থেকে অষ্টাদশ বিসিএস পর্যন্ত অনেকেই পর্যায়ক্রমে ক্যাডার সার্ভিস থেকে সিনিয়রিটির কারণে অবসরে চলে যাচ্ছেন। অনেকেরই বেতন স্কেলের শেষ ধাপে পৌঁছার ফলে ইনক্রিমেন্ট বন্ধ। তৃতীয়, দ্বিতীয়, প্রথম গ্রেডে যাবার উপায় নাই। তাই বেতনেও বৈষম্য। শিক্ষা ক্যাডারে সার্ভ করে শিক্ষা সচিব হওয়ার মত যোগ্যতা সম্পন্ন ক্যাডার কর্মকর্তা শিক্ষা ক্যাডারে অবশ্যই আছে। এই বিষয়গুলো নিয়ে তরুণ প্রজন্মকে ভাবতে হবে।

আগামী ৭/৮ বছরের মধ্যে সিনিয়র কর্মকর্তারা সবাই অবসরে চলে যাবেন। তখন ২০ ব্যাচ থেকে শুরু করে পরবর্তী ব্যাচের কর্মকর্তারাই এই ক্যাডারেকে নেতৃত্ব দেবেন। শিক্ষা প্রশাসনের সর্বস্তরেই তারা বিচরণ করবেন- এই স্বপ্ন শিক্ষা ক্যাডার দেখতেই পারে। একটি নিরাপদ এবং মানসম্পন্ন ক্যাডার তরুণ প্রজন্মের হাতে তুলে দিয়ে যাওয়াই বিসিএস সাধারণ শিক্ষা সমিতির বর্তমান নেতৃত্বের লক্ষ্য।

সব ক্যাডারের সাথে একই মানের বিসিএস প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে এবং উত্তীর্ণ হয়েই শিক্ষা ক্যাডারে যোগ দিতে হয়। এই তরুণ শিক্ষা ক্যাডার কর্মকর্তারা অনেক স্বপ্ন নিয়ে শিক্ষা ক্যাডারে আসলেও সরকারি কলেজগুলোতে যোগদান করে তাদের সেই আশা অনেকটা খর্ব হয়। বিভাগ নেই, টেবিল-চেয়ার নেই, জনবল নেই- প্রথমেই এই হতশ্রী অবস্থায় শিক্ষা ক্যাডার কর্মকর্তারা পদায়ন পেয়ে হতাশ হয়ে যান। কিন্তু তিনি যে ধাপে ধাপে যোগ্যতা অর্জন করে শিক্ষা প্রশাসনের সর্বস্তরে সেবা দিতে পারেন সে ধারণাটি অনেকেরই নেই। ফলে অনেক ক্যাডার কর্মকর্তাও বিসিএস সাধারণ শিক্ষা ক্যাডারকে ‘সরকারি কলেজ কেন্দ্রিক শিক্ষক’ ধারণাতেই আবদ্ধ করে রেখেছে। এই ‘অচলায়তন’ ভাঙতে হবে।

শ্রেণী কার্যক্রম থেকে শুরু করে শিক্ষা প্রশাসনের সর্বস্তরে শিক্ষা ক্যাডার কর্মকর্তাদের কাজ করার কথা। কিন্তু এটি হচ্ছে না। কেননা, শিক্ষা প্রশাসনের পদগুলো অন্যদের দখলে চলে যাচ্ছে। শিক্ষা ক্যাডার নিজভূমে পরবাসী। বিসিএস সাধারণ শিক্ষা ক্যাডারটিকে শুধু সরকারি কলেজের শিক্ষক কেন্দ্রিক করে রাখার একটি অপচেষ্টা প্রতীয়মান হচ্ছে। এই ষড়যন্ত্র ভেঙে দিতে হবে। প্রাইমারি থেকে শুরু করে টারশিয়ারি পর্যন্ত, এমনকি মাদ্রাসা শিক্ষা, কারিগরি শিক্ষাও শিক্ষা ক্যাডার তথা শিক্ষা প্রশাসনের আওতায় থাকা উচিত। প্রায় সাড়ে ১৬ হাজার শিক্ষা ক্যাডার সদস্যের মেধাকে ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সুনজরে’ রেখে বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা বিনির্মাণে নিয়োজিত করা যায়। শিক্ষা প্রশাসনকে শিক্ষা ক্যাডারের হাতে ছেড়ে দিলে বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থার চেহারাই পাল্টে যাবে।

স্বাধীনতার পর এক সময় মাত্র ৪০ টি সরকারি স্কুল কলেজ, দুই-আড়াইশ বেসরকারি কলেজ নিয়ে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর যাত্রা শুরু করেছিল। কালের পরিক্রমায় সরকারি বেসরকারি স্কুল কলেজ বহুগুণে বাড়লেও এগুলোর নিয়ন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠান মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরকে সেভাবে ঢেলে সাজানো হয়নি। অথচ মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরই মাঠ পর্যায়ে শিক্ষা প্রশাসনের কেন্দ্রবিন্দু। এটিকে ঢেলে সাজানোর ফাইল ও বস্তাবন্দি হয়ে আছে।

মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক পদটি প্রথম গ্রেডের। কিন্তু শিক্ষা ক্যাডারে দ্বিতীয় গ্রেডে যাওয়ার ধাপটি নেই। ফলে সৌভাগ্যবান তৃতীয় গ্রেডের কোনো কর্মকর্তা যোগ্য হওয়া সত্ত্বেও দ্বিতীয় গ্রেডে যেতে পারেন না। এই অনিয়মের কারণে প্রথম গ্রেডে যাওয়ার তো প্রশ্নই আসে না। এই অনিয়ম কেন বছরের-পর-বছর জিইয়ে আছে তা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নজরে আনতে হবে। মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক পদটি তৃতীয় গ্রেডের একজন কর্মকর্তাকে ‘চলতি দায়িত্ব’ দিয়েই চালিয়ে নেয়া হচ্ছে। এটা যুগ যুগ ধরেই ঘটছে। এই অনিয়মের বিরুদ্ধে সোচ্চার হতে হবে। শিক্ষা ক্যাডার থেকেই সিনিয়র সচিব, সচিব কেন হওয়া যাবে না তা নিয়ে তরুণ প্রজন্মের অনেকেরই মনে প্রশ্ন।

শিক্ষা ক্যাডারের তৃতীয় গ্রেড, দ্বিতীয় গ্রেড এবং প্রথম গ্রেড পর্যন্ত পদ সোপান সুনিশ্চিত করতে হবে। শিক্ষা অধিদপ্তর ছাড়াও শিক্ষা-বোর্ডসমূহ, নায়েম, এনসিটিবি, শিক্ষার বিভিন্ন প্রকল্প, শিক্ষার বিভিন্ন বোর্ড, ট্রাস্ট, যেমন বেসরকারি শিক্ষক কর্মচারী অবসর সুবিধা বোর্ড, বেসরকারি শিক্ষক কর্মচারী কল্যাণ ট্রাস্ট- এই প্রতিষ্ঠানগুলো শিক্ষা ক্যাডার কর্মকর্তাদের দ্বারাই পরিচালিত হওয়া উচিত। কিন্তু তা হচ্ছে না। প্রায় সাড়ে ১৬ হাজার মেধাবী শিক্ষা ক্যাডার কর্মকর্তার কাজ করার অধিক্ষেত্রকে রীতিমতো লুণ্ঠন করা হচ্ছে।

বিসিএস সাধারণ শিক্ষা সমিতি এই সাড়ে ১৬ হাজার ক্যাডার সদস্যের প্রাণের সংগঠন। এই সংগঠনের নেতৃত্বে যারা আছেন তাদের যোগ্য নেতৃত্বে ক্যাডার সদস্যরা সবাই অধিকার আদায়ে জেগে উঠেছে। কোভিড পরিস্থিতির কারণে পুরো শিক্ষাব্যবস্থাই এখন স্থবির প্রায়। তারপরও শিক্ষা ক্যাডার সদস্যরা যার যার অবস্থান থেকে অনলাইন ক্লাস নিয়ে, শিক্ষা রিলেটেড বিভিন্ন কন্টেন্ট বানিয়ে, বিভিন্ন সামাজিক দায়িত্ব পালন করার পাশাপাশি পেশাগত দায়িত্বও পালন করে যাচ্ছেন। স্কুল-কলেজ কেন্দ্রিক প্রশাসনিক কার্যক্রমও সীমিত পরিসরে অব্যাহত আছে। কিন্তু অন্যান্য ক্যাডারে নিয়মিত পদোন্নতি হলেও শিক্ষা ক্যাডারে পদোন্নতি হচ্ছে না দীর্ঘদিন। এই দায় কার? পদোন্নতির তারিখ নির্ধারণের ফাইল মন্ত্রণালয়ে মাসের পর মাস পরে থাকে, দায় কার? কেন মাদ্রাসা অধিদপ্তরের পদ, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পদ, কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের পদ অন্য ক্যাডার সদস্যদের দ্বারা পরিচালিত হবে? সাড়ে ১৬ হাজার ক্যাডার সদস্যদের মধ্যে যোগ্যতম প্রশাসক কি নেই? যোগ্যতার কষ্টিপাথরে যাচাইকৃত হয়েই মেধাবীরা শিক্ষা ক্যাডারে আসে। তবে কেন এত বৈষম্য? কেন এত বঞ্চনা? আন্তঃক্যাডার বৈষম্য দূরীকরণে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর অনুশাসন কেন মানা হয়না? কারা বাধাগ্রস্ত করে রেখেছে?

শিক্ষা ক্যাডারের এসমস্ত বৈষম্য নিরসনে এবং সংকট উত্তরণে শিক্ষা ক্যাডার সদস্যরা সম্মিলিতভাবে পদক্ষেপ নিতে পারেন। এর জন্য প্রয়োজন একতাবদ্ধ থাকা। বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নে শিক্ষাকে শিক্ষা ক্যাডারের হাতেই নিয়ে আসতে হবে। শিক্ষা নিয়ে গড়ব দেশ, শেখ হাসিনার বাংলাদেশ-এই স্লোগানকে ধারণ করে এগিয়ে যেতে হলে শিক্ষা ক্যাডারের সাড়ে ১৬ হাজার সদস্যের মুখপাত্র বিসিএস সাধারণ শিক্ষা সমিতির মাধ্যমেই সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।

২১ এপ্রিল ২০২১ খ্রি. তারিখ বুধবার বিসিএস সাধারণ শিক্ষা সমিতির নেতৃত্বে শিক্ষা ক্যাডার সদস্যদের অনলাইন সংলাপ অনুষ্ঠানে চৌদ্দ ব্যাচ থেকে শুরু করে সর্বশেষ ৩৮ ব্যাচ পর্যন্ত প্রায় ২৩টি ব্যাচের অর্ধশতাধিক ব্যাচ প্রতিনিধি উপস্থিত থাকবেন। শিক্ষা ক্যাডার সদস্যদের অধিকার আদায়ে ধারাবাহিকভাবে এ সংলাপ চলতে থাকবে। বিসিএস সাধারণ শিক্ষা সমিতির বর্তমান নেতৃত্বের যুগে অনেক যুগান্তকারী সফলতা এসেছে। বিসিএস সাধারণ শিক্ষা সমিতির ‘বর্তমান নেতৃত্ব’ সুদূরপ্রসারি অনেকগুলো পদক্ষেপ হাতে নিয়েছেন। আত্তীকরণ বিধি ২০১৮, ১৮ মহিলা কলেজের মামলায় আত্তীকৃতদের নন-ক্যডার ঘোষণা ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য সফলতা। এর বাইরে সম্প্রতি মাদরাসা অধিদপ্তর এর নিয়োগ বিধি চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে মামলা দায়ের করা হয়েছে। নায়েমের নিয়োগ বিধিও চ্যালেঞ্জ করা হয়েছে। এছাড়াও শিক্ষা ক্যাডার কর্মকর্তাদের কর্মজীবন পরিকল্পনা প্রণয়ন (যেটি এখন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়-এ যাওয়ার অপেক্ষায় আছে) ও বিসিএস সাধারণ শিক্ষা সমিতির একটি উল্লেখযোগ্য সফলতা। একজন শিক্ষা ক্যাডার কর্মকর্তা চাকুরীতে যোগ দিয়ে বিভিন্ন প্রশিক্ষণের মাধ্যমে নিজেকে সমৃদ্ধ করবেন। ধাপে ধাপে তিনি কোথায় পৌঁছাবেন সেটা শুরু থেকেই উক্ত শিক্ষা ক্যাডার কর্মকর্তা বুঝতে পারবেন। ‘কর্মজীবন পরিকল্পনা’ বাস্তবায়ন সম্ভব হলে শিক্ষা ক্যাডারের অনেক বঞ্চনা ঘুচে যাবে। সাড়ে ১৬ হাজার শিক্ষা ক্যাডার সদস্য ঐক্যবদ্ধ থাকলে শিক্ষা ক্যাডারের হাতে শিক্ষা প্রশাসনকে ফিরিয়ে আনা সম্ভব।

শিক্ষা ক্যাডারের কর্মজীবন পরিকল্পনা আরও সমৃদ্ধ করে, শিক্ষা পরিকল্পনা প্রণয়ণে সহযোগিতা, শিক্ষা প্রশাসনসহ সর্বস্তরে শিক্ষা ক্যাডারের প্রতিনিধিত্ব আবশ্যক। বর্তমান সরকারের শিক্ষা নীতি বাস্তবায়নে সাড়ে ১৬ হাজার শিক্ষা ক্যাডার কর্মকর্তাকে কাজে লাগাতে হবে। এজন্য প্রয়োজন একতাবদ্ধ থাকা। বিসিএস সাধারণ শিক্ষা সমিতির পতাকাতলে ঐক্যবদ্ধ থাকা। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা বিনির্মাণে শিক্ষা ক্যাডারের হাত ধরে শিক্ষাকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার এরকম পদক্ষেপ নিতে হবে এখনই।

২১ এপ্রিল ২০২১ খ্রিস্টাব্দ বুধবার, এই অনলাইন সংলাপ অনুষ্ঠানে সাড়ে ১৬ হাজার ক্যাডার সদস্যের প্রতিনিধি হিসেবে বিভিন্ন ব্যাচের কর্মকর্তারা উপস্থিত থাকবেন। উক্ত সংলাপ অনুষ্ঠান থেকে নতুন কোনো দিকনির্দেশনা বের হয়ে আসতে পারে। সাড়ে ১৬ হাজার সদস্য বিসিএস সাধারণ শিক্ষা সমিতির পতাকা তলে একতাবদ্ধ থেকে শিক্ষা ক্যাডারের ভবিষ্যৎ বিনির্মাণে পরবর্তী করণীয় এবং দিকনির্দেশনা ঠিক করে নেবেন বলে ক্যাডার সদস্যদের আশা। সমিতির নিয়মিত কার্যক্রম অব্যাহত রাখার জন্য একটি ‘সুষ্ঠু নির্বাচনের প্রয়োজনীয়তা (কোভিড পরিস্থিতিকে বিবেচনায় রেখে) নিয়েও সুচিন্তিত মতামত’ আসতে পারে বলে সংলাপে সম্ভাব্য অংশগ্রহণকারীদের সূত্রে জানা গেছে। বিভিন্ন ব্যাচের প্রতিনিধিদের কাছ থেকে শিক্ষা ক্যাডারের সংকট উত্তরণে বিভিন্ন মতামতগুলোকে একত্রিত করে পরবর্তী করণীয় নির্ধারণ করা হবে বলে সমিতির সূত্রে জানা যায়। বর্তমান সরকারের সুযোগ্য শিক্ষামন্ত্রী এবং শিক্ষা প্রতিমন্ত্রীর দিকনির্দেশনায় শিক্ষা ক্যাডার এগিয়ে যাবে বলে সমিতির সুদৃঢ় বিশ্বাস।


এ জাতীয় আরো খবর