মঙ্গলবার, ১১ মে ২০২১, ২৮ বৈশাখ ১৪২৮

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অধিভুক্ত সাত কলেজের শিক্ষার্থীরা ১৫ মাসেও ফল পাননি

  • অনলাইন ডেস্ক
  • ২০২১-০৩-২৫ ১৪:৪০:৪৯
image

 

 

পরীক্ষার তিন মাসের মধ্যে চূড়ান্ত ফল প্রকাশের নিয়ম থাকলেও ১৫ মাসে ফল পাননি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অধিভুক্ত সাত কলেজের ১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের প্রাণীবিদ্যা এবং ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের শিক্ষার্থীরা। ২০১৯ সালে ডিসেম্বর মাসে তাদের প্রথম বর্ষের চূড়ান্ত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছিল।

এদিকে ১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের নিয়মিত, অনিয়মিত ও মানোন্নয়ন পরীক্ষায় অংশগ্রহণেচ্ছু শিক্ষার্থীদের দ্বিতীয় বর্ষের পরীক্ষার আবেদন ফরম অনলাইনে পূরণ করতে বলা হয়েছে। প্রথম বর্ষের ফল বের হওয়ার আগেই দ্বিতীয় বর্ষের ফরম পূরণে বিভ্রান্তিতে পড়েছে শিক্ষার্থীরা।


ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অফিস থেকে জানানো হয়, মার্চ মাসের ১৬ থেকে ৩০ তারিখের মধ্যে অনলাইনে ফরম পূরণ করে সংশ্লিষ্ট কলেজে জমা দিতে হবে। যেখানে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা নিয়ে সংশয় যেখানে সেখানে এত তাড়াহুড়ো করে দ্বিতীয় বর্ষের ফরম পূরণের নোটিশে উদ্বিগ্ন শিক্ষার্থীরা।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষার্থীরা বলেন, আমাদের প্রথম বর্ষের ফলাফলই এখনো হয়নি। অথচ দ্বিতীয় বর্ষের ফরম পূরণের জন্য বলা হয়েছে। কী করবো বুঝতে পারছি না। দ্বিধান্বিত অবস্থায় আছি। এত অনিশ্চয়তা নিয়ে পড়াশোনা করা যায়?

আরেক শিক্ষার্থী বলেন, অধিভুক্তির পর থেকে নানা বঞ্চনার শিকার হচ্ছে সাত কলেজের শিক্ষার্থীরা। একবার পরীক্ষা হয় না। পরীক্ষা হলে রেজাল্ট হয় না। রেজাল্ট হলে গড়পড়তা সবার ফল বিপর্যয়। সেশনজটসহ নানাবিধ সমস্যা যেন সাত কলেজকে ছাড়ছেই না।

ফলাফল প্রকাশের বিষয়ে ঢাকা কলেজের অধ্যক্ষ ও সাত কলেজের সমন্বয়কারী অধ্যাপক আই কে সেলিম উল্লাহ খোন্দকার জানান, সাত কলেজের শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নতি সাধনের লক্ষ্যে বৃহত্তর পরিসরে কাজ চলছে। এ বিষয়ে আমাদের অসংখ্য পরিকল্পনা রয়েছে। প্রায় সব বিষয়ের ফলাফল প্রকাশ হয়েছে। কয়েকটি বিভাগের বাকি আছে তা কিছু দিনের মধ্যেই প্রকাশ হবে।


শিক্ষার মান উন্নয়নের লক্ষ্যে ঢাকায় অবস্থিত সরকারি সাত কলেজকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত করা হয়। কলেজগুলো হলো- ঢাকা কলেজ, ইডেন মহিলা কলেজ, কবি নজরুল সরকারি কলেজ, শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ, বেগম বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজ, সরকারি তিতুমীর কলেজ ও মিরপুর বাঙলা কলেজ। অধিভুক্তির পর থেকে এসব কলেজের সমস্যা বেড়েই চলেছে। সেশনজট, ফলাফল প্রকাশে দীর্ঘসূত্রিতা এবং ফলাফল বিপর্যয় সাত কলেজ শিক্ষার্থীদের অন্যতম প্রধান সমস্যা। 

পরীক্ষার তিন মাসের মধ্যে চূড়ান্ত ফল প্রকাশের নিয়ম থাকলেও ১৫ মাসে ফল পাননি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অধিভুক্ত সাত কলেজের ১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের প্রাণীবিদ্যা এবং ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের শিক্ষার্থীরা। ২০১৯ সালে ডিসেম্বর মাসে তাদের প্রথম বর্ষের চূড়ান্ত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছিল।

এদিকে ১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের নিয়মিত, অনিয়মিত ও মানোন্নয়ন পরীক্ষায় অংশগ্রহণেচ্ছু শিক্ষার্থীদের দ্বিতীয় বর্ষের পরীক্ষার আবেদন ফরম অনলাইনে পূরণ করতে বলা হয়েছে। প্রথম বর্ষের ফল বের হওয়ার আগেই দ্বিতীয় বর্ষের ফরম পূরণে বিভ্রান্তিতে পড়েছে শিক্ষার্থীরা।


ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অফিস থেকে জানানো হয়, মার্চ মাসের ১৬ থেকে ৩০ তারিখের মধ্যে অনলাইনে ফরম পূরণ করে সংশ্লিষ্ট কলেজে জমা দিতে হবে। যেখানে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা নিয়ে সংশয় যেখানে সেখানে এত তাড়াহুড়ো করে দ্বিতীয় বর্ষের ফরম পূরণের নোটিশে উদ্বিগ্ন শিক্ষার্থীরা।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষার্থীরা বলেন, আমাদের প্রথম বর্ষের ফলাফলই এখনো হয়নি। অথচ দ্বিতীয় বর্ষের ফরম পূরণের জন্য বলা হয়েছে। কী করবো বুঝতে পারছি না। দ্বিধান্বিত অবস্থায় আছি। এত অনিশ্চয়তা নিয়ে পড়াশোনা করা যায়?

আরেক শিক্ষার্থী বলেন, অধিভুক্তির পর থেকে নানা বঞ্চনার শিকার হচ্ছে সাত কলেজের শিক্ষার্থীরা। একবার পরীক্ষা হয় না। পরীক্ষা হলে রেজাল্ট হয় না। রেজাল্ট হলে গড়পড়তা সবার ফল বিপর্যয়। সেশনজটসহ নানাবিধ সমস্যা যেন সাত কলেজকে ছাড়ছেই না।

ফলাফল প্রকাশের বিষয়ে ঢাকা কলেজের অধ্যক্ষ ও সাত কলেজের সমন্বয়কারী অধ্যাপক আই কে সেলিম উল্লাহ খোন্দকার জানান, সাত কলেজের শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নতি সাধনের লক্ষ্যে বৃহত্তর পরিসরে কাজ চলছে। এ বিষয়ে আমাদের অসংখ্য পরিকল্পনা রয়েছে। প্রায় সব বিষয়ের ফলাফল প্রকাশ হয়েছে। কয়েকটি বিভাগের বাকি আছে তা কিছু দিনের মধ্যেই প্রকাশ হবে।


শিক্ষার মান উন্নয়নের লক্ষ্যে ঢাকায় অবস্থিত সরকারি সাত কলেজকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত করা হয়। কলেজগুলো হলো- ঢাকা কলেজ, ইডেন মহিলা কলেজ, কবি নজরুল সরকারি কলেজ, শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ, বেগম বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজ, সরকারি তিতুমীর কলেজ ও মিরপুর বাঙলা কলেজ। অধিভুক্তির পর থেকে এসব কলেজের সমস্যা বেড়েই চলেছে। সেশনজট, ফলাফল প্রকাশে দীর্ঘসূত্রিতা এবং ফলাফল বিপর্যয় সাত কলেজ শিক্ষার্থীদের অন্যতম প্রধান সমস্যা। সূত্র: জাগোনিউজ24


এ জাতীয় আরো খবর