শনিবার, ৩১ জুলাই ২০২১, ১৬ শ্রাবণ ১৪২৮

এসএসসি ও দাখিল ভোকেশনালের সিলেবাস প্রকাশ করলো কারিগরি বোর্ড

  • শিক্ষা পত্রিকা ডেস্ক
  • ২০২১-০২-০৬ ১৪:৩১:৪০
image

এসএসসি ও দাখিল ভোকেশনাল শিক্ষাক্রমের দশম শ্রেণি বোর্ড ফাইনাল পরীক্ষার সংক্ষিপ্ত সিলেবাস প্রকাশ করা হয়েছে। এনসিটিবির তৈরি করা এ সংশোধিত পুনর্বিন্যস্ত পাঠ্যসূচি কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে।

 

এসএসসি ভোকেশনালের আবশ্যিক বিষয়গুলোর, দাখিল ভোকেশনালের আবশ্যিক বিষয়গুলোর এবং এসএসসি ও দাখিল ভোকেশনালের ট্রেড বিষয়গুলোর পুনর্বিন্যাস্ত পাঠ্যসূচি প্রকাশ করা হয়েছে।

 

 

এর আগে বৃহস্পতিবার (৪ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় এনসিটিবিতে আয়োজিত এক সভায় সিলেবাস আন্তঃশিক্ষাবোর্ড সমন্বয় সাব-কমিটির কাছে জমা দেয়া হয়। সভায় শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি, শিক্ষা মন্ত্রণালয়, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর, ঢাকা বোর্ডের কর্মকর্তারা অংশগ্রহণ করেন। সিলেবাসটি এনসিটিবির কাছ থেকে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় সাব-কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক নেহল আহমেদ গ্রহণ করেন। সব বোর্ডের কাছে সেগুলো পাঠানো হয়। পরে,রাতে সংশোধিত সংক্ষিপ্ত সিলেবাস প্রকাশ করা হয়।

 

জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের একজন সদস্য দৈনিক শিক্ষাকে বলেন, যেটুকু না পড়লে না হয় শুধু সেটুকু অধ্যায় দিয়েই নতুন করে বিষয়ভিত্তিক সিলেবাস প্রণয়ন করা হয়েছে। ছোট হওয়া সিলেবাসে সব বিষয়েই প্রশ্নের বিভাজন ও নম্বর কাঠামো ঠিকই থাকবে। অর্থাৎ যে সিলেবাস প্রণয়ন করা হয়েছে সেখান থেকেই প্রশ্নপত্র প্রণয়ন করা হবে।

 

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এনসিটিবির ঊর্ধ্বতন আরেকজন কর্মকর্তা বলেছেন, নামকাওয়াস্তে সিলেবাসটি প্রণয়ন করা হয়েছে। কারণ পরীক্ষাদুটোতে কোনো অটোপাস দেয়া হবে না। ছেলেমেয়েদেরকে পরীক্ষায় বসতেই হবে। পরীক্ষাও হবে নামকাওয়াস্তে। এজন্য প্রতিটি বিষয়ে ৩০ থেকে ৩৫ শতাংশ অধ্যায় নির্বাচন করে সিলেবাস প্রণয়ন করা হয়েছে।

 

 

এসএসসি ও দাখিল ভোকেশনালের সংক্ষিপ্ত সিলেবাস দেখতে ক্লিক করুন :

 

এর আগে, গত ২৬ জানুয়ারি সংক্ষিপ্ত সিলেবাস প্রকাশ করা হয়েছিল। যা নিয়ে শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে আপত্তি ওঠে। প্রকাশিত সংক্ষিপ্ত সিলেবাস তিন বা চার মাসের মধ্যে শেষ করা সম্ভব নয় বলে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা জানান। তারপর সিলেবাসটি আরও সংক্ষিপ্ত করার উদ্যোগ নেয়া হয়। গত ২৭ জানুয়ারি সিলেবাসটি আরও সংক্ষিপ্ত করার দায়িত্ব দেয়া হয়েছিল এনসিটিবিকে।


এ জাতীয় আরো খবর